সেরা 10টি কম্পিউটার ফটো এডিটিং সফটওয়্যার ডাউনলোড

ফটো এডিটিং সফটওয়্যার ডাউনলোড : বর্তমানে বেশির ভাগ মানুষ ফটো তুলতে পছন্দ করে। প্রতিটা মানুষ ছবি তুলে নিজের ভাবভঙ্গি প্রকাশ করার চেষ্টা করে। এছাড়াও নিজেকে সুন্দর করে সবার মাঝে তুলে ধরার জন্য ছবির গুণগতমান বৃদ্ধি করতে চায়। আর এই গুণগতমান বৃদ্ধি করার জন্য ভালো মানের সফটওয়্যার দরকার। যদিও অনেকে মোবাইল দিয়ে ছবি তুলতে বেশ পছন্দ করে থাকে। তাই আপনি ক্যমেরা অথবা মোবাইল যেটা দিয়েই ছবি তুলেন নিচের এডিটিং সফটওয়্যারগুলোর মাধ্যমে ছবির মান বাড়াতে পারবেন।

বর্তমানে তরুণতরুণীরা ডিএসএলআর ক্যামেরার মাধ্যমে ছবি তুলতে বেশি পছন্দ করে। এরজন্য ছবি তেমন এডিট করার প্রয়োজনও পরে না।

তবে DSLR Camera দিয়ে ছবি তুলে যারা একটু এডিট করেন তারা খুব ভালো ভাবেই জানেন ছবিগুলো দেখতে আরো বেশি সুন্দর লাগে ও এট্রাক্টিভ হয়ে উঠে।

যারা ক্যামেরা দিয়ে ফটো তুলতে পারে না তাদের জন্য এমন কিছু সফটওয়্যার এখানে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে যেগুলো দিয়ে DSLR ক্যামেরা দিয়ে ফটো তুলার মতো করে তুলতে পারবেন।

এছাড়াও পূর্বে আমি একটি আর্টিকেলটি তৈরি করেছিলাম যেখানে শুধুমাত্র মোবাইল ইউজাদের জন্য ছবি এডিট করার apps তালিকাভুক্ত করেছি।

আপনি যদি মোবাইল ইউজার হয়ে থাকেন তাহলে সেই অ্যাপগুলো ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

আজকে আমি এখানে কিছু সেরা ছবি এডিট করার সফটওয়্যার তালিকাভুক্ত করব ও সফটওয়্যারগুলো সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করবো।

ফটো এডিট করার ভালো এপ্স কোনটি?

মোবাইল দিয়ে অনেকেই কম-বেশি ফটো এডিট করে থাকে ছবির সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধি করার জন্য। তাই মোবাইলের ফটো এডিটিং এপ্সগুলো সম্পর্কে আপনি হয়তো মোটামুটি জানেন। কিন্তু যাদের পিসি রয়েছে কিন্তু এখনো কম্পিউটার ফটো এডিটিং সফটওয়্যার ডাউনলোড করেননি মূলত তাদের জন্যই এই আর্টিকেলটি তৈরি করা হয়েছে।

এখানে ছবি এডিট করার এমন কিছু এপ্স তালিকাভুক্ত করা হয়েছে যেগুলো দিয়ে নিজের খুশি মত ছবি এডিটিং করতে পারবেন।

আর এই সফটওয়্যারগুলো ছাড়া আর কোনো সফটওয়্যারই প্রয়োজন হবে না ফটো এডিটিং করার জন্য।

একটি ছবি এডিট করার জন্য যেসব এপ্স দরকার তার প্রায় সবই এখানে লিস্ট করা হয়েছে।

ছবি এডিট করার সফটওয়্যার (photo editing software)

বর্তমান সময় ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম হলো মানুষের অন্যতম ফটো গ্যালারী। নিজের Standard Look সবার মাঝে তুলে ধরার জন্য সুন্দর মুহুর্তগুলি ক্যামেরা বন্দি করে থাকে। আর সেই ক্যামেরা বন্দি ছবি একটু ডিজাইন করে অনলাইনে আপলোড দিলেই হাজার-লক্ষ লাইক ও কমেন্ট চলে আসে। এছাড়াও পছন্দের ছবিগুলো এডিট করে সারা জীবনের জন্য এ্যালবাম করে রেখে দেয় অনেকেই।

বড় বড় ফটো গ্রাফার যারা ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলে থাকে তারা বেশিরভাগ ছবিগুলো এডিট করে থাকে ছবির Look পরিবর্তন করার জন্য।

তাই আপনিও যদি পিসি/ল্যাপটপ দিয়ে ছবি এডিট করতে চান তাহলে নিচে দেওয়া লিস্ট থেকে যেকোনো সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে পারেন।

1। Adobe Photoshop – ফটো এডিটিং সফটওয়্যার

adobe photoshop free download কিভাবে ফটো এডিট করতে হয়

কম্পিউটার দিয়ে ফটো এডিট করার জন্য অ্যাডবি ফটোশপ বর্তমান সময়ের সবচেয়ে সেরা মানের সফটওয়্যার।

শুধু এখন নয়, বরং এই সফটওয়্যারটি যখন রিলিজ হয়েছে তখন থেকেই এটা কার্যকরি একটি অ্যাপস ছিলো।

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সফটওয়্যারটি যখন বিভিন্ন ভার্সন এর মাধ্যমে আপডেট করে তখন এটা ব্যাপকভাবে বিশ্বে সারা ফেলেছে।

যারা ফটোগ্রাফার ও স্টুডিওতে কাজ করে তারাও এই অ্যাপটি ফটো এডিটিং এর জন্য বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে।

বর্তমানে এডোবি ফটোশপের বিভিন্ন ধরনের ভার্সন পাওয়া যায় যেগুলোর মধ্যে বিভিন্ন রকম প্লাগইন ইউজ করা রয়েছে।

আর সেই প্লাগইনগুলোর মাধ্যমে Image design করা হয় ও নানারকম ইফেক্ট তৈরি করা যায়।

অনলাইনে যারা ফটো গ্রাফিক্স নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে তারা বেশির ভাগ এডোবি ফটোশপ ইউজ করে থাকে ছবি সাজানোর জন্য। এডোবির আরো কিছু সফটওয়্যার রয়েছে যেগুলো দিয়ে ছবি এডিট করা যায়। মূলত ফটো ও ভিডিও এডিট করার জন্য এডোবির সফটওয়্যারগুলো সবাই ব্যবহার করতে চায়। কারণ অ্যাপগুলো ইউজ করতে কোনো সমস্যা হয় না এবং সফটওয়্যার চালানোর জন্য তেমন হাই কনফিগারেশনের গ্রাফিক্স দরকার হয় না।

আরো পড়ুনঃ মোবাইল ও পিসির ডাটা রিকভারি করার শীর্ষ সফটওয়ার

অ্যাডবি ফটোশপ পিসিতে ইনস্টল করতে চাইলে অবশ্যই জেনে নিবেন আপনি কোন ভার্সনটি ডাউনলোড করছেন ও আপনার কত জিবি র‍্যামের পিসিতে সেটা চলবে। আপনার পিসির কনফিগারেশনের সাথে সফটওয়্যার কনফিগারেশন যদি না মিলে তাহলে সফটওয়্যারটি প্রোপার্লি ইউজ করতে পারবেন না ও অতিরিক্ত হ্যাং করবে। ফলে ভাল করে ছবি এডিট করতে পারবেন না।

একটি ফটো এডিট করার জন্য যা যা দরকার তার সবকিছুই প্রায় অ্যাডবি ফটোশপে পাওয়া যাবে। ফটোর মধ্যে নতুন বা আলাদা কোনো ইফেক্ট আনতে চাইলে অথবা ডিজাইনের দরকার হলে যদি প্রয়োজনীয় টুলস এর মধ্যে না থাকে তাহলে প্লাগইন ডাউনলোড করে ফটোশপে ইনস্টল করে নিতে পারবেন।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ফটোশপ দিয়ে ফটো এডিট করা হয়। কিন্তু নানা ক্রিয়েটিভ গ্রাফিক্স ডিজাইন যেমনঃ লোগো তৈরি, প্যাকেজিং ডিজাইন, ম্যাগাজিন পেপার তৈরি ও আরো নানা রকম গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য অ্যাডবি ইলাস্ট্রেটর ব্যবহার করা হয়। অ্যাডবি ফটোশপের মাধ্যমেও করা যায় তবে নান্দনিক ডিজাইনের জন্য যেসব টুলসের দরকার সেগুলো এর মধ্যে তেমন ভালো ভাবে নেই। কিন্তু ফটো এডিট করার জন্য অ্যাডবি ফটোশপের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। এক কথায় এর সাথে তুলনাই হয় না।

অ্যাডবি ফটোশপ গুরুত্বপূর্ণ ফিচার :

  • যেকোনো কিছু কালার পরিবর্তন করা যাবে যেমন- স্কিন, চুল, ব্যাকগ্রাউন্ড, পোশাক ইত্যাদি।
  • বিভিন্ন ইফেক্ট দেওয়া যাবে যেমন- পোর্ট্রেট, 3D ইফেক্ট, রেইন, মোশন, অয়েল পেইন্ট ও আরো অনেক কিছু।
  • ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার ও চেঞ্জ করা যাবে।
  • ছবি রিটাচ ও এইচডি করা হরেক রকম টুলস রয়েছে।
  • পোস্টার ও নিউজ পেপার ডিজাইন করা যাবে।
  • গিফ ইমেজ তৈরি করা যাবে।
  • ইমেজ দিয়ে ভিডিও বানানো যাবে।

নতুন ইউজারদের জন্য অ্যাডবি ফটোশপ

মোবাইলের মতো খুব সহজেই কম্পিউটার/ল্যাপটপ দিয়ে ছবি এডিট করা যায় না। কম্পিউটারের সফটওযারগুলো অনেক ভারী ও নানা রকম ফিচারে ভরা থাকে।

ফলে টুলসের কার্যক্ষমতা বেশি থাকে ফলে নিউ ইউজারদের জন্য টুলসগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করতে সমস্যা হয়।

সুতরাং ফটো এডিট করার জন্য Adobe Photoshop একটি বড় ধরনের সফটওয়্যার তাই আপনাকে এর সম্পর্কে ভালো ভাবে জেনে নিতে হবে।

ইউটিউব ভিডিও দেখে বেসিক কিছু ধারনা নিয়ে ফটোশপ অ্যাপটি ইউজ করতে পারবেন। যদি আপনি ফটোশপ এক্সপার্ট হতে চান তাহলে এটা নিয়ে একটি কোর্স সম্পন্ন করতে পারেন। ফটোশপ এক্সপার্ট হতে পারলে আপনি ফটো স্টুডিও দিয়ে আয় রোজগার করতে পারবেন ও ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

সুতরাং আপনি যদি ফটো এডিটিং শিখতে চান তাহলে অ্যাডবি ফটোশপ ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

আপনার PC Quality অনুযায়ী একটি ফটোশপ ভার্সন নামিয়ে যেকোনো ফটো খুব সহজেই এডিট করতে পারবেন।

আশা করি অ্যাডবি ফটোশপ সম্পর্কে কিছুটা ধারনা পেয়েছেন।

Download Free Version

Premium Version Download Free

2। Affinity Photo – ছবি এডিট করার সফটওয়্যার

affinity photo download ফটো এডিট সফটওয়্যার

সুপার ফাস্ট মুডে ছবি এডিট করার জন্য অ্যাফিনিটি ফটো সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে পারেন। লো কনফিগারেশনের পিসিগুলোতে অ্যাডবি সিরিজের সফটওয়্যারগুলো চালানু খুব একটা ভালো হয় না। তবে অ্যাফিনিটি ফটো লো কনফিগারেশনের পিসিতেও ভালো ভাবে ইউজ করা যাবে।

অ্যাফিনিটি ফটো অ্যাপটির অভ্যন্তরীণ অনেকটা অ্যাডবি ফটোশপ ও ইলাস্ট্রেটরের মতোই। এবং এই অ্যাপগুলোতে যেসব টুলস ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলোও এর মধ্যে পাওয়া যাবে। Affinity photo অনেক ফাস্ট কাজ করে ও ফটোশপের চেয়ে এর গ্রাফিক্স বেশ কালারফুল।

এই অ্যাপের কীবোর্ড শর্টকাটও অ্যাডবি ফটোশপের সাথে মিলে যায়। আপনি যদি ফটোশপ ইউজ করতে পারেন তাহলে এটাও ইউজ করতে কোনো সমস্যা হবে না। কারন দুটি অ্যাপই সিমিলার।

আপনি যদি অ্যাডবি ইলাস্ট্রেটর ও ফটোশপের সমন্বয় কোনো অ্যাপস পেতে চান তাহলে অ্যাফিনিটি ফটো ডাউনলোড করতে পারেন। এটার মাধ্যমে আপনি ছবি এডিট ও পিকচার ডিজাইন করতে পারবেন।

অনেক সময় কিছু গ্রাফিক্স ডিজাইনে অ্যাডবি ফটোশপ ও ইলাস্ট্রেটর দুটিই প্রয়োজন পরে। ফলে দুটি সফটওয়্যার আলাদা ভাবে ওপেন করতে হয় এবং কাজ করতে সমস্যা ও পিসি হ্যাং হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর এইসব ডাবল সফটওয়্যারের কাজ এক সফটওয়্যারে করতে Affinity photo বেশ ভালো সাপোর্ট দিবে।

এই সফটওয়্যারটি ফ্রিতে ডাউনলোড করার সুবিধা রয়েছে। তবে এর প্রিমিয়াম ভার্সন চালানোর জন্য সাবস্ক্রিপশন করতে হবে।

আপনি একবার সাবস্ক্রিপশন করলেই সারা জীবন ইউজ করতে পারবেন। এছাড়াও উইন্ডোজ, ম্যাকওএস এবং আইওএস সিস্টেমে সফটওয়্যারটি রান করতে পারবেন।

অ্যাফিনিটি ফটো গুরুত্বপূর্ণ ফিচার :

  • ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ
  • ইমেজের অপ্রয়োজনীয় বস্তু রিমুভ
  • কালার রিপ্লেসমেন্ট ব্রাশ
  • কনট্রাস্ট, লেভেল, কালার এবং হোয়াইট ব্যালেন্স অটো অ্যাডজাস্ট
  • স্মার্ট সিলেকশন ব্রাশ
  • অ্যাডবি ফটোশপ প্লাগইন সাপোর্ট
  • প্রতি চ্যানেলে ১৬ বিটস সাপোর্টেড
  • অ্যাডবি ফটোশপ PSD ফরমেট ফাইল সাপোর্ট

এই ফিচারগুলো দেখে এরই মাঝে আপনি হয়তো বোঝে গেছেন অ্যাফিনিটি ফটো কতটা পাওয়ারফুল একটি অ্যাপস। এটাকে ফটোশপের লাইট ভার্সন বললেও ভুল হবে না।

কোনো ছবির কালার পরিবর্তন, টেক্সট কালার ও অঙ্কন করার জন্য অনেক ধরনের প্যান্টোন পাওয়া যাবে এই অ্যাপটির মধ্যে।

যারা টাইপোগ্রাফি করতে ভালবাসেন তারা এটার মধ্যে টাইপোগ্রাফি করতে পারবেন। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ভেক্টর ফাইল বানানো যাবে।

শুধু তাই নয়, জনপ্রিয় ফাইল ফরমেট যেমনঃ PSD, DNG, JPG, GIF, TGA, PNG, SVG, PDF এর মতো ফাইলগুলো খুব সহজেই ওপেন করতে পাবেন।

ইমেজ এডিট করার সময় অ্যাফিনিটি ফটোতে খুব সুন্দর ওয়ার্কশিট পাবেন যা আপনাকে ফটোশপের মজা দিবে। চাইলে ওয়ার্কশিট নিজের মতো সাজিয়ে নিতে পারবেন।

সুতরাং ফটো এডিট করার জন্য আপনি অ্যাফিনিটি ফটো ডাউনলোড করতে পারেন। অল্প খরচে এমন একটি সফটওয়্যার পাওয়া আসলেই তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো।

Download Free Version

Premium Version Download Free

3। CorelDRAW – ফটো এডিট সফটওয়্যার

coreldraw free download ছবি এডিট করার apps

গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য এটা চমৎকার একটি সফটওয়্যার। আপনি এই সফটওয়্যার ইনস্টল করে ব্যবহার করার সময় বোঝতে পারবেন এটা কতটা হেল্পফুল একটি অ্যাপ্লিকেশন।

যারা বড় ধরনের গ্রাফিক্স ডিজাইনের তারা মূলত এই সফটওয়্যারটি ইউজ করে থাকে। প্রোফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনার ছাড়া এইসব অ্যাপস সহজেই ইউজ করতে পারে না।

এটা অনেক বড় একটি সফটওয়ার। এইসব সফটওয়্যার পিসিতে ইনস্টল করতে হলে পিসির কনফিগারেশন ভালো থাকতে হয়।

নিন্ম মানের কম্পিউটারে CorelDRAW সফটওয়্যার চালানো যাবে না। আপনার পিসি বার বার হ্যাং করতে পারে।

যারা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে উচ্চ র‍্যাংকে চলে গেছে তারা এইসব সফটওয়্যার দিয়ে কাজ করার মতো জব খুজে পায়। এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনি উচ্চ মানের গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে পারবেন।

আপনার পিসি যদি ভালো মানের হয় থাকে এবং আপনি যদি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে চান তাহলে CorelDRAW সফটওয়্যার ডাউনলোড করুন।

চাইলে ইউটিউব থেকে এর একটি শর্ট রিভিউ দেখে আসতে পারেন অথবা CorelDRAW এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেয়ে শর্ট রিভিউ দেখতে পারেন।

CorelDRAW দিয়ে কার্টুনের মতো ছবি বানানো যাবে, ইমেজের কালার ও ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করতে পারবেন, ভিডিও এনিমেশন তৈরি করার জন্য নানা রকম দৃশ্য বানানো যাবে। সত্যি অসাধারন একটি অ্যাপস। এটা অবশ্যই আপনার কাছে ভালো লাগবে।

Download Free Version

Premium Version Download Free

4। Adobe illustrator – গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার

illustrator software free download ফটো এডিট করার ভালো এপ্স কোনটি

অ্যাডোব ইলাস্ট্রেটর ১৯৮৭ সালে রিলিজ হওয়ার থেকে ভেক্টর অঙ্কন অ্যাপ্লিকেশনগুলির উপর রাজত্ব করে আসছে। এবং এখনো রাজত্ব করে যাচ্ছে ও এর জনপ্রিয়তা দিনের পর দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এরা প্রতিনিয়ত অ্যাপের আপডেট নিয়ে আসে। প্রতি বছর অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটরের নতুন ভার্সন পাওয়া যায়।

এই অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য। ছবি এডিটিং করার ক্ষেত্রে এই অ্যাপটি মানুষ খুবই কম ব্যবহার করে।

আপনি যদি ভেক্টর অঙ্কন করতে চান ও নানা রকম থ্রিডি ডিজাইন করতে চান তাহলে Adobe Illustrator সফটওয়্যারটি আপনার জন্য। এই অ্যাপটি এই তালিকার মধ্যে না আনলেও চলত তবে এটাও ফটো এডিটিং এর অনেক সুবিধা দিয়ে থাকে যেমনঃ নিখুঁত ভাবে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ করা, রিয়াল ছবি কার্টুনের মতো বানানো, ক্লিপিং মাস্ক করা ইত্যাদি।

গ্রাফিক্স ডিজাইনাদের কাছে এই অ্যাপটি খুবই পছন্দের। কারন এটা দিয়ে যেকোনো ধরনের ডিজাইন করা যায়।

পোস্টার ডিজাইন, ওয়েবসাইট ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, বিজনেস কার্ড, প্যাটার্ন, ব্যানার ইত্যাদি।

এইসব ডিজাইনগুলোর নাম শুনে আপনি হয়তো বোঝতেই পারছেন অ্যাডবি ইলাস্ট্রেটর দিয়ে কি ধরনের কাজগুলো করা হয়।

আপনি যদি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে চান তাহলে নিশ্চিন্তে অ্যাডবি ইলাস্ট্রেটর ডাউনলোড করতে পারেন। গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য এটাই সবচেয়ে বেস্ট সফটওয়্যার।

কম্পিউটার দিয়ে ছবি এডিটং করার আরো অনেক ধরনের সফটওয়্যার পাওয়া যায়। কিন্তু অ্যাডবি অ্যাপগুলো বেশি চাহিদা সম্পন্ন।

কারন এর অ্যাপগুলো বেশ ইউজার ফ্রেন্ডলি হয়ে থাকে ও প্রচুর ফিচার ও টুলসে ভরা থাকে। ফলে কাজ করতে অনেক সুবিধা হয়।

কম্পিউটার ইজাদের জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলো ব্যাসিকেলি ক্রয় করে নিতে হয়। তেমনই এই অ্যাপটিও সুষ্ঠ ভাবে ব্যবহার করার জন্য ক্রয় করতে হবে। চাইলে এর ট্রায়াল ভার্সন অর্থাৎ ফ্রি ভার্সনটি নামিয়ে নিতে পারেন সাময়িক সময়ের জন্য। দীর্ঘ দিন ব্যবহার করতে হলে অ্যাপটি কিনে নিবেন অথবা প্রিমিয়াম অ্যাপটি ফ্রিতে ডাউনলোডের জন্য ক্র্যাক ভার্সন নামিয়ে নিতে পারেন। ফলে প্রিমিয়াম অ্যাপের সুবিধাই পাওয়া যাবে ফ্রিতে।

অ্যাডবি ইলাস্ট্রেটর গুরুত্বপূর্ণ ফিচার :

  • রিয়েল-টাইম ড্রয়িং ও এডিটিং করা যাবে।
  • এনহ্যান্সড ফ্রি ট্রান্সফর্ম টুল
  • প্রিন্টিং এন্ড প্রুফিং করা যাবে।
  • মাল্টিপল প্রজেক্টস
  • অ্যানিমেশন পিকচার পিকচার বানানো যাবে।
  • ফটো রিটাচিং করা যাবে।

সফটওয়্যারটিতে আরো অনেক ধরনের ফিচার রয়েছে যা ইনস্টল করেই দেখতে পারবেন। এর ওয়ার্কশিট প্রায় অ্যাডবি ফটোশপের মতোই। কারন দুইটাই এক কোম্পানির সফটওয়্যার।

এডোবি ইলাস্ট্রেটর চালানোর জন্য আপনার পিসির কনফিগারেশন মোটামুটি ভালোর দিকে থাকা প্রয়োজন। কারন এটার মাধ্যমে বড় ধরনের ফাইলগুলো তৈরি করা হয়।

গ্রাফিক্স ডিজাইন হলো একটি আর্ট/শিল্প যেটা সবাই করতে পারে না। খাতায় যারা বিভিন্ন ছবি আর্ট করতে পছন্দ করতেন তাদের জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইন খুবই মজার।

আর এইসব কাজ করতে মূলত ক্রিয়েটিভ নলেজ লাগে। আপনার ইউনিক নলেজের মাধ্যমে নতুন কিছু আর্ট করতে সহায়তা করবে এডোবি ইলাস্ট্রেটর।

ছোট বেলায় যখন আপনি খাতায় কোনো কিছু আর্ট করতেন তখন পেন্সিল এর ব্যবহারটাই বেশি করা হতো।

আর ডিজিটাল পদ্ধতিতে আর্ট করার জন্য খাতা আর পেন্সিল নয় বরং Adobe Illustrator এর আর্টবোর্ড ও পেন টুলের কাজ। পেনটুল হলো আপনার পেন্সিলের কাজ করবে।

সুতরাং খুবই মজার একটি অ্যাপস এটি। এর মজা উপভুগ করতে চাইলে এখনই অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর ডাউনলোড করুন। আপনার কাছেও এটা প্রিয় একটি ডিজাইনিং অ্যাপে পরিণত হবে আশা করি।

Download Free Version

Premium Version Download Free

5। InDesign – গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার

indesign software free download

অ্যাডবির আরো একটি দারুন সফটওয়্যার এটি। ফটো এডিটিং ও ডিজাইন সফটওয়্যার নিয়ে কথা বলতে গেলে প্রথম স্থান দখন করে নেয় জনপ্রিয় এই সফটওয়্যারগুলি।

আপনার পিসি দিয়ে যদি গ্রাফিক্সের কোনো কাজ করতে চান তাহলে ইনডিজাইন সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে পারেন।

এ্যাডোবি ইলাস্ট্রাটরের মাধ্যমে কোনো ইমেজ বা পিকচার তৈরি করার জন্য এই অ্যাপটি ভালো সাপোর্ট দিবে।

একটি পিকচার সম্পূর্ণ নতুন ভাবে বানানোর জন্য যত ধরনের টুলসের দরকার হবে তার সবই ইনডিজাইন ও অ্যাডোবি ইলাস্ট্রাটরের মধ্যে পাওয়া যাবে। বিশেষ করে কোনো কিছু আর্ট করতে চাইলে Adobe Indesign ভালো ভূমিকা পালন করবে।

ইনডিজাইনের ওয়ার্ক এন্টারপেজটা খুবই দারুন। আপনি একই সাথে কয়েকটা ট্যাব ওপেন করে প্রজেক্টের কাজ করতে পারবেন। সাদা-কালো ও রঙিন ছবি আর্ট করতে পারবেন। ইমেজ ম্যানিপুলেশন ও যেকোনো ধরনের লোগো বানানো যাবে। এছাড়াও ইনডিজাইনের মাধ্যমে অসাধারন ইফেক্ট ইমেজ তৈরি করতে পারবেন।

ইনডিজাইন অ্যাপটি সর্বপ্রথম রিলিজ করা হয় ইনিশিয়াল ভাবে যেটা ছিলো ১৯৯৯ সাল। সফটওয়্যারটি উইন্ডোজ ও ম্যাক সিস্টেমের জন্য উপলব্ধ রয়েছে।

এটা সম্পূর্ণ ফ্রিতে পাওয়া না গেলেও এর ফ্রি ভার্শনটি ব্যবহার করার জন্য সাময়িক সময় দেওয়া হবে।

এছাড়াও আপনি যদি প্রোফেশনালি ইউজ করতে চান তাহলে কয়েক বছরের জন্য ক্রয় করতে পারেন যেটা সবসময় ফ্রি আপডেট দিতে পারবে।

অ্যাডবি ইনডিজাইন দিয়ে যেসব ডিজাইন খুব সহজেই করতে পারবেন সেগুলো হলো- বই, ব্রোশার, নিউজপেপার এবং ম্যাগাজিন ইত্যাদি।

টেক্সট দিয়ে কোনো ডিজাইন করতে চাইলে অনেক ধরনের ফন্ট পাবেন। আপনার পছন্দের কোনো ফন্ট যদি এর মধ্যে না থাকে তাহলে ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে লোড করতে পারবেন।

নতুনদের জন্য সফটওয়্যারটি ইউজ করা খুব কঠিন লাগতে পারে। আপনি চাইলে এই সফটওয়্যারটি একটি কোর্স কমপ্লিট করতে পারেন। বেসিক ধারণা নেওয়ার জন্য ইউটবে খুঁজ করা যেতে পারে।

ইনডিজাইন গুরুত্বপূর্ণ ফিচার :

  • রঙ থিম টুল
  • আধুনিক ইউ আই
  • QR কোড তৈরি
  • কন্টেন্টের সাথে লিংক
  • EPUB & HTML5

ইনডিজাইনের সমস্থ ফিচার সম্পর্কে জানতে হলে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এখানে আমি কয়েকটি ফিচার আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি।

ফ্রিল্যান্সার ও যারা ভবিষ্যতে গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে চান তারা এই সফটওয়্যারগুলো ডাউনলোড করতে পারেন।

Download Free Version

Premium Version Download Free

6। Corel PaintShop – ফটো এডিটিং সফটওয়্যার

corel paintshop pro free download

কম্পিউটার দিয়ে পিকচার এডিট করার জন্য আরো একটি ভালো মানের সফটওয়্যার এটি। ফটো গ্রাফার ও ইমেজ এডিটরারদের কাছে Corel PaintShop এটিও জনপ্রিয় একটি সফটওয়্যার। পেইন্ট করে ইমেজ বানানোর জন্য এই সফটওয়্যার বেছে নিতে পারেন। এছাড়াও ফটো এডিটিং করতেও Corel PaintShop ডাউনলোড করতে পারেন। এটার মাধ্যমে ভালো ফটো রিটাচিং করা যায়। ফটো কালারফুল করার জন্যেও এটা বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

Download Free Version

Premium Version Download Free

7। Inkscape – ছবি ডিজাইন সফটওয়্যার

inkscape download ছবি এডিট করার সফটওয়্যার

এটা হলো প্রোফেশনাল ভেক্টর ফটো এডিটর সফটওয়্যার। এটা দিয়ে নানা রকম ভেক্টর ফাইল বানাতে পারবেন।

জনপ্রিয় গ্রাফিক্স ডিজাইনিং অ্যাপগুলোর মধ্যে এটা অন্যতম। একটি ভেক্টর ফাইল তৈরি করতে যেসব টুলসের প্রয়োজন হয় সেগুলো এর মধ্যে পেয়ে যাবেন।

এছাড়া প্রো লেভেলের টাইপোগ্রাফি করতে চাইলে Inkscape সফটওয়্যারটি বেঁছে নিতে পারেন।

Download Free

8। Blender – ফটো এডিটিং সফটওয়্যার

blender software download ছবি এডিট করার নিয়ম

এনিমেশন পিকচার তৈরি করার জন্য এই সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন। একটি অ্যানিমেশন কার্টুন তৈরি করতে অনেক ধরনের টুলসের দরকার হয়।

তবে যেসব টুলস না থাকলে অ্যানিমেশন ছবি বানানো যাবে না সেগুলো এর মধ্যে পেয়ে যাবেন। 3D ও 2D ইমেজ বানানো যাব খুব সহজেই।

যারা এনিমেশন ভিডিও তৈরি করে তারা শুধু ভিডিও গ্রাফিক্স সফটওয়ারই ব্যবহার করে না বরং আকর্ষনীয় ভিডিও বানানোর জন্য প্রয়োজন কোয়ালিটিফুল পিকচার গ্রাফিক্স। আর এই পিকচার গ্রাফিক্সগুলো মূলত এইসব সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়ে থাকে।

Download Free Version

Premium Version Download Free

9। Sumopaint – ছবি কাজ করার সফটওয়্যার

sumopaint software free download for pc

যাদের পিসি ভালো মানের নয় তারা এই অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারেন। এটা আপনাকে অবাক করে দেওয়ার মতো একটি সফটওয়্যার।

আপনি ইন্টানেটের মাধ্যমে একটি ব্রাউজার ওপেন করে খুব সহজেই অনলাইনে ইমেজ এডিটিং করতে পারবেন। এরজন্য আপনার পিসির উপর কোনো চাপ সৃষ্টি হবে না।

আপনার পিসিতে ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই এই সফটওয়ারের অফিসিলা ওয়েবসাইটে যেয়ে অনলাইনে সরাসরি ফটো এডিটিং কাজ করতে পারবেন।

এর মধ্যে অনেক ধরনের টুলস পাবেন। এর অনলাইনে ব্যবহার করার জন্য আপনার কোনো টাকা খরচ করা লাগবে না।

যদি অফলাইনে পিসিতে ইউজ করতে চান তাহলে এটা ক্রয় করে নিতে হবে। আমার মতে যাদের পিসি দুর্বল তারা অনলাইনেই Sumopaint এর মাধ্যমে ইমেজ এডিট করুন।

অনলাইনে Sumopaint এর মাধ্যমে কিভাবে ফটো এডিট করতে হয় সেটা জানার দরকার বলে আমার মনে হয় না।

কারন এটা খুব একটি অ্যাপস। তারপরেও আপনি বোঝতে না পারলে ইউটিউব দেখে শিখে নিতে পারেন।

Download Free Version

Premium Version Download Free

10। GIMP – ছবি এডিট করার apps

gimp download for pc ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ

আপনি যদি ছবি এডিট করার সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে চান তাহলে GIMP বেছে নিতে পারেন। এটা একটি চমৎকার ম্যানিপুলেশন সফটওয়্যার যা অ্যাডবি ফটোশপের বিকল্প সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে। এটার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের টুলস পাবেন ছবি এডিট করার জন্য। প্রত্যেকটি Tools সাইডবারে দেওয়া থাকে অ্যাডবি এর সফটওয়্যারগুলোর মতো। এর Interface ও টুলসের ব্যবহার দেখে জিআইএমপি অ্যাপটি আপনার কাছে ভালো লাগতে পারে। অ্যাপটি কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এক্সট্রা প্লাগইন ইনস্টল করা যাবে।

এই সফটওয়্যারের সিস্টেম রিকুয়ারমেন্ট বলে তেমন কিছু নেই। আপনার কম্পিউটারটি লো কনফিগারেশনের হলে GIMP ইউজ করতে পারবেন।

কারন ৫১২ মেগাবাইট র‍্যাম ও ৬০ মেগাবাইট হার্ডডিস্ক জায়গা নিয়ে এটি চালানো যাবে। তাই বলা যায় আপনি সুপার ফাস্ট স্পীডে অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন।

তবে অ্যাপটির আপডেট ভার্সনগুলোতে সিস্টেম রিকুয়ারমেন্টের কিছুটা পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

এই সফটওয়্যার চালানোর জন্য কোনো অর্থ ব্যয় করতে হবে না। আপনি সম্পূর্ণ ফ্রিতে এই অ্যাপস ডাউনলোড করতে পারবেন।

ফ্রি এপ্স হিসেবে এটা খারাপ নয়, বরং জনপ্রিয়তা পাচ্ছে সবার কাছে। এছাড়া অ্যাপটি ফ্রি হলেও এর অনেক ক্ষমতা রয়েছে।

যেমন- এটার মাধ্যমে সাধারণ পেইন্ট করা যাবে, ভালো মানের কোয়ালিটিসহ ফটো Retouching করা যায় ও যেকোনো ইমেজে ফরম্যাট কনভার্টার হিসেবেও কাজে লাগানো যেতে পারে।

গিম্প গুরুত্বপূর্ণ ফিচার :

  • পেইন্টিং করার জন্য সম্পূর্ণ স্যুইট রয়েছে এর মাধ্যে যেমনঃ ব্রাশ, পেন্সিল, এয়ারব্রাশ, ক্লোন ইত্যাদি।
  • এটার মধ্যে আলফা চ্যানেল সাপোর্ট করে।
  • সিলেকশন করার জন্য এর মধ্যে প্রায় সবকিছুই পেয়ে যাবেন যেমনঃ রেকট্যাংগল, রাউন্ডেড রেকট্যাংগল, এলিপস, ফাজি ইত্যাদি।
  • ফোরগ্রাউন্ড এক্সট্রাকশন টুল রয়েছে।
  • ১০০+ প্লাগইন উপলব্ধ রয়েছে।

Download Free Version

Premium Version Download Free

উপসংহার

গ্রাফিক্স ডিজাইনাদের জন্য এখানে সেরা ১০টি ফটো এডিটিং সফটওয়্যার তালিকাভুক্ত করেছি। যারা গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে জানেন তারা এই সফটওয়ারগুলো অবশ্যই চিনে থাকবেন। এছাড়া ছবি এডিট করার ভালো কিছু অ্যাপস এর মধ্যে রয়েছে। আপনার কোনো অ্যাপস প্রয়োজন হলে এখান থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এখানে ফ্রী ভার্সন ও প্রিমিয়াম ভার্সন দুটিই ফ্রিতে ডাউনলোড করে পারবেন।

Leave a Comment

error: Content is protected !!